জয়পুরহাটে কাঁচা মরিচের ঝাল বেড়েছে
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
৪-১০-২০২৫ দুপুর ১২:২৩
জয়পুরহাটে কাঁচা মরিচের ঝাল বেড়েছে
জয়পুরহাট বাজারে এক দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজি প্রতি ৪০ টাকা বেড়েছে। গতকাল শনিবার জয়পুরহাট বড় বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৯০ টাকায়, যা গতকাল শুক্রবারও ছিল ২৬০ টাকা। হঠাৎ করে দামের এই উর্ধ্বগতিতে ভোক্তাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
একাধিক ব্যবসায়ী জানান, দুর্গাপুজা উপলক্ষে গত কয়েকদিন ধরে ভারত থেকে মরিচ আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে সরবরাহ কমে যায়। এতে পাইকারি বাজার থেকেই দাম বাড়তে শুরু করে। তবে তারা বলছেন ভারতীয় মরিচ আমদানি শুরু হলেই দাম আবারও কমে আসবে। পাইকারি মরিচ ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, আমদানি বন্ধ থাকায় চাহিদা বেশি আর সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। আমদানি শুরু হলেই দাম কমতে শুরু করবে। তখন দাম অন্তত ৭০ থেকে ১০০ টাকা কমে আসবে বলে আশা করছি। একই বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান জানান, গতকালও আমরা ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আজকে পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হয়েছে। ক্রেতারা একটু বিপাকে পড়েছেন, তবে আমদানি শুরু হলে তারা আবার স্বস্তি পাবেন। বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানালেন, এভাবে হঠাৎ করে দাম ওঠা-নামা করলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবার কাঁচা মরিচের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে গেলেও চিন্তা করতে হয়।
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
৪-১০-২০২৫ দুপুর ১২:২৩
জয়পুরহাট বাজারে এক দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজি প্রতি ৪০ টাকা বেড়েছে। গতকাল শনিবার জয়পুরহাট বড় বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৯০ টাকায়, যা গতকাল শুক্রবারও ছিল ২৬০ টাকা। হঠাৎ করে দামের এই উর্ধ্বগতিতে ভোক্তাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
একাধিক ব্যবসায়ী জানান, দুর্গাপুজা উপলক্ষে গত কয়েকদিন ধরে ভারত থেকে মরিচ আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে সরবরাহ কমে যায়। এতে পাইকারি বাজার থেকেই দাম বাড়তে শুরু করে। তবে তারা বলছেন ভারতীয় মরিচ আমদানি শুরু হলেই দাম আবারও কমে আসবে। পাইকারি মরিচ ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, আমদানি বন্ধ থাকায় চাহিদা বেশি আর সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। আমদানি শুরু হলেই দাম কমতে শুরু করবে। তখন দাম অন্তত ৭০ থেকে ১০০ টাকা কমে আসবে বলে আশা করছি। একই বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান জানান, গতকালও আমরা ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আজকে পাইকারি বাজারেই বেশি দামে কিনতে হয়েছে। ক্রেতারা একটু বিপাকে পড়েছেন, তবে আমদানি শুরু হলে তারা আবার স্বস্তি পাবেন। বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানালেন, এভাবে হঠাৎ করে দাম ওঠা-নামা করলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবার কাঁচা মরিচের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে গেলেও চিন্তা করতে হয়।