287628

লোহাগড়ায় ভ্যানের উপর গৃহবধূর মরদেহ, পলাতক স্বামী

#
news image

লোহাগড়ায় ভ্যানের উপর পড়ে ছিল গৃহবধূর মরদেহ, পলাতক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জান্নাতি খানম অন্তু (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি— তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সাজ্জাদ মোল্যা (৩২) ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চর-শালনগর গ্রামে শ্বশুরবাড়ির সামনে একটি ভ্যানের উপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে লোহাগড়া থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

নিহত জান্নাতি খানম অন্তু শালনগর ইউনিয়নের চর-শালনগর গ্রামের দাউদ মোল্যার ছেলে সাজ্জাদ মোল্যার স্ত্রী এবং একই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মিটুল মোল্যার মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে জান্নাতির সঙ্গে সাজ্জাদের বিয়ে হয়। তবে সাজ্জাদ এর আগেও বিবাহিত ছিলেন, যা সে গোপন রেখেছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। গত বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌকা বাইচ ও মেলা দেখতে জান্নাতি বাবার বাড়ি রঘুনাথপুরে আসেন।

সোমবার দুপুরে সাজ্জাদ ও তার পরিবারের লোকজন জান্নাতিকে অটোভ্যানে করে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যায়। এরপর কিছুক্ষণ পরই সাজ্জাদের ছোট ভাই ফোন করে জানায় যে জান্নাতি স্ট্রোক করেছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত লোহাগড়া হাসপাতালে ছুটে গেলেও সেখানে তাকে খুঁজে পাননি। পরে তারা সাজ্জাদের বাড়িতে গিয়ে ভ্যানের উপর জান্নাতির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে জান্নাতিকে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

লোহাগড়া থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

লোহাগড়া প্রতিনিধি

৬-১০-২০২৫ রাত ১০:৫৩

news image
ছবি : প্রতিকি লাশের প্যাকেট

লোহাগড়ায় ভ্যানের উপর পড়ে ছিল গৃহবধূর মরদেহ, পলাতক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় জান্নাতি খানম অন্তু (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি— তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সাজ্জাদ মোল্যা (৩২) ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চর-শালনগর গ্রামে শ্বশুরবাড়ির সামনে একটি ভ্যানের উপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে লোহাগড়া থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

নিহত জান্নাতি খানম অন্তু শালনগর ইউনিয়নের চর-শালনগর গ্রামের দাউদ মোল্যার ছেলে সাজ্জাদ মোল্যার স্ত্রী এবং একই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মিটুল মোল্যার মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে জান্নাতির সঙ্গে সাজ্জাদের বিয়ে হয়। তবে সাজ্জাদ এর আগেও বিবাহিত ছিলেন, যা সে গোপন রেখেছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। গত বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌকা বাইচ ও মেলা দেখতে জান্নাতি বাবার বাড়ি রঘুনাথপুরে আসেন।

সোমবার দুপুরে সাজ্জাদ ও তার পরিবারের লোকজন জান্নাতিকে অটোভ্যানে করে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যায়। এরপর কিছুক্ষণ পরই সাজ্জাদের ছোট ভাই ফোন করে জানায় যে জান্নাতি স্ট্রোক করেছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত লোহাগড়া হাসপাতালে ছুটে গেলেও সেখানে তাকে খুঁজে পাননি। পরে তারা সাজ্জাদের বাড়িতে গিয়ে ভ্যানের উপর জান্নাতির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে জান্নাতিকে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

লোহাগড়া থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”