কুষ্টিয়া পৌরসভায় ডেভেলপারদের দৌরাত্ম্য
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
৭-১০-২০২৫ দুপুর ১২:৫৬
কুষ্টিয়া পৌরসভায় ডেভেলপারদের দৌরাত্ম্য
কুষ্টিয়া পৌরসভায় ডেভেলপারদের দৌরাত্ম্য এখন চরমে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডেভেলপার কোম্পানিগুলো নির্বিচারে রড, সিমেন্ট, বালি ও খোয়া রাস্তায় ফেলে রাখায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে দেখা দিচ্ছে তীব্র ভোগান্তি। শহরের ব্যস্ত সড়কগুলোতে এভাবে নির্মাণসামগ্রী রাখায় প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে যানজট, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
এর পাশাপাশি ফ্ল্যাট ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাট হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিলেও বছরের পর বছর তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে না। সাধারণ মানুষ আজীবনের সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগ করে ফ্ল্যাট কিনলেও তারা সময়মতো ফ্ল্যাট পাচ্ছেন না। কেউ কেউ আবার ভয়-ভীতি, হুমকি ও দুর্ব্যবহারের মুখে নীরব থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, চুক্তিতে মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী। এতে ভবনগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলেছেন, আমরা জীবনের সব টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছি, এখন বুঝে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি।
এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় এসব অনিয়ম আরও বেড়েই চলেছে। নাগরিকদের অভিযোগ যখন রাস্তা দখল করে কাজ চলছে বা চুক্তি ভঙ্গ করে মানুষকে প্রতারণা করা হচ্ছে, তখন কেন প্রশাসন চুপ করে আছে?
কুষ্টিয়া পৌর প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, খুব শিগগিরই আমরা ডেভলপারদের তালিকা তৈরি করছি। যারা নিয়ম ভঙ্গ করছে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফুটপাত দখল ও রাস্তার উপর নির্মাণসামগ্রী রাখার প্রবণতা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। কুষ্টিয়াকে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর গড়তে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
সচেতন মহল মনে করছে, এখনই যদি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে কুষ্টিয়ার নগরজীবন অচল হয়ে পড়বে। ডেভেলপারদের দৌরাত্ম্য রোধে জরুরি ভিত্তিতে পৌরসভা ও প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
৭-১০-২০২৫ দুপুর ১২:৫৬
কুষ্টিয়া পৌরসভায় ডেভেলপারদের দৌরাত্ম্য এখন চরমে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডেভেলপার কোম্পানিগুলো নির্বিচারে রড, সিমেন্ট, বালি ও খোয়া রাস্তায় ফেলে রাখায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে দেখা দিচ্ছে তীব্র ভোগান্তি। শহরের ব্যস্ত সড়কগুলোতে এভাবে নির্মাণসামগ্রী রাখায় প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে যানজট, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
এর পাশাপাশি ফ্ল্যাট ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। অনেক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাট হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিলেও বছরের পর বছর তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে না। সাধারণ মানুষ আজীবনের সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগ করে ফ্ল্যাট কিনলেও তারা সময়মতো ফ্ল্যাট পাচ্ছেন না। কেউ কেউ আবার ভয়-ভীতি, হুমকি ও দুর্ব্যবহারের মুখে নীরব থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, চুক্তিতে মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী। এতে ভবনগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলেছেন, আমরা জীবনের সব টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছি, এখন বুঝে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি।
এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় এসব অনিয়ম আরও বেড়েই চলেছে। নাগরিকদের অভিযোগ যখন রাস্তা দখল করে কাজ চলছে বা চুক্তি ভঙ্গ করে মানুষকে প্রতারণা করা হচ্ছে, তখন কেন প্রশাসন চুপ করে আছে?
কুষ্টিয়া পৌর প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, খুব শিগগিরই আমরা ডেভলপারদের তালিকা তৈরি করছি। যারা নিয়ম ভঙ্গ করছে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফুটপাত দখল ও রাস্তার উপর নির্মাণসামগ্রী রাখার প্রবণতা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। কুষ্টিয়াকে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর গড়তে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
সচেতন মহল মনে করছে, এখনই যদি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে কুষ্টিয়ার নগরজীবন অচল হয়ে পড়বে। ডেভেলপারদের দৌরাত্ম্য রোধে জরুরি ভিত্তিতে পৌরসভা ও প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।