287628
শিরোনামঃ
‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

এনবিআরের দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ: কোটি টাকার সম্পদের খোঁজে আইটিআইআইইউ

#
news image

কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইআইইউ)। অভিযুক্তরা হলেন- কর অঞ্চল ১২-তে কর্মরত মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এ কর্মরত সাইদুর রহমান। ওই দুই কর্মকর্তা সম্প্রতি বদলি হয়েছেন।

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট থেকে জানা গেছে, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জির ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের নামে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সাড়ে চার একর জমির মালিকানা রয়েছে। মোহাম্মদ রুবেল দর্জি কর অঞ্চল-১২ এর নাজির থাকাকালীন ওই কর অঞ্চলে ৪টি চাকরি নিয়োগে কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এবং তিনি বনে গিয়েছেন কোটিপতি। হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, কর অঞ্চল-১২ এর একটি নিয়োগ পরীক্ষা সেগুনবাগিচা হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষকদের ম্যানেজ করে 'পক্সি' পরীক্ষা দিয়ে তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি দেন। এরপরই গাজীপুরে ৪ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রয় করেন। তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রথমে নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করান এবং সেখানে ৪-৫ কোটি টাকা ব্যয় করেন।

অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।” সাইদুর রহমানের কিছু সম্পদের তথ্য এসেছে, সেগুলো হলো- সেগুনবাগিচায় ৪টি ফ্ল্যাট, চন্দ্রিমা মডেল টাউন রোড নং ১১-তে ৩,০০০ স্কয়ার ফিটের রাজকীয় ফ্ল্যাট, পূ্র্বাচলে ৪টি প্লট এবং একটি সুইমিংপুলসহ প্রমোদ ফ্ল্যাট। আরও সম্পদের তথ্য রয়েছে। সরকারি কর্মচারী হয়ে এত কোটি টাকার সম্পদ গড়লেন কীভাবে, এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০-১০-২০২৫ দুপুর ৪:৪৭

news image

কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইআইইউ)। অভিযুক্তরা হলেন- কর অঞ্চল ১২-তে কর্মরত মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এ কর্মরত সাইদুর রহমান। ওই দুই কর্মকর্তা সম্প্রতি বদলি হয়েছেন।

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট থেকে জানা গেছে, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জির ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের নামে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সাড়ে চার একর জমির মালিকানা রয়েছে। মোহাম্মদ রুবেল দর্জি কর অঞ্চল-১২ এর নাজির থাকাকালীন ওই কর অঞ্চলে ৪টি চাকরি নিয়োগে কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এবং তিনি বনে গিয়েছেন কোটিপতি। হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, কর অঞ্চল-১২ এর একটি নিয়োগ পরীক্ষা সেগুনবাগিচা হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষকদের ম্যানেজ করে 'পক্সি' পরীক্ষা দিয়ে তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি দেন। এরপরই গাজীপুরে ৪ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রয় করেন। তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রথমে নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করান এবং সেখানে ৪-৫ কোটি টাকা ব্যয় করেন।

অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।” সাইদুর রহমানের কিছু সম্পদের তথ্য এসেছে, সেগুলো হলো- সেগুনবাগিচায় ৪টি ফ্ল্যাট, চন্দ্রিমা মডেল টাউন রোড নং ১১-তে ৩,০০০ স্কয়ার ফিটের রাজকীয় ফ্ল্যাট, পূ্র্বাচলে ৪টি প্লট এবং একটি সুইমিংপুলসহ প্রমোদ ফ্ল্যাট। আরও সম্পদের তথ্য রয়েছে। সরকারি কর্মচারী হয়ে এত কোটি টাকার সম্পদ গড়লেন কীভাবে, এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।