287628

শরীয়তপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু

#
news image

শরীয়তপুরে রবিবার (১২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল সারে ৯টা থেকে শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন। সারাদেশের মতো শরীয়তপুরেও ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ ৪ লাখ ২ হাজার ৮৫৭ জন শিশুর জন্য টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম।

শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলা ও ৬টি পৌর এলাকায় মোট ৩ হাজার ৩১৬টি কেন্দ্রে একযোগে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম ১০ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং পরবর্তী ৮ দিন স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

শরীয়তপুর জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ উজ জামান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন বলেন, “জেলার প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েড টিকার আওতায় আনতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। আজ শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন আগামী ১৮ দিন চলবে।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

১২-১০-২০২৫ বিকাল ৬:৪৩

news image

শরীয়তপুরে রবিবার (১২ অক্টোবর ২০২৫) সকাল সারে ৯টা থেকে শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন। সারাদেশের মতো শরীয়তপুরেও ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ ৪ লাখ ২ হাজার ৮৫৭ জন শিশুর জন্য টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম।

শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলা ও ৬টি পৌর এলাকায় মোট ৩ হাজার ৩১৬টি কেন্দ্রে একযোগে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম ১০ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং পরবর্তী ৮ দিন স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

শরীয়তপুর জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ উজ জামান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন বলেন, “জেলার প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েড টিকার আওতায় আনতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। আজ শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন আগামী ১৮ দিন চলবে।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।