287628

নড়িয়ায় কীর্তিনাশায় অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবি

#
news image

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় কীর্তিনাশা নদীতে যাত্রীবাহী একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার পদ্মা নদীর শাখা কীর্তিনাশা নদীর ওপর নির্মিত ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে নড়িয়া-জাজিরা রুটে কীর্তিনাশা নদীর ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে পুরনো সেতুটি ভেঙে ফেলার পর থেকে এ রুটে যাত্রী পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে ট্রলার।

গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে চুক্তি বাতিল করে সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে পশ্চিম পাড় থেকে একটি ছোট ট্রলার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদী পার হচ্ছিল। এ সময় পাশ দিয়ে একটি বাল্কহেড যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ঢেউ ও স্রোতের কারণে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এতে প্রায় ২০–২৫ জন যাত্রী নদীতে পড়ে যান। পরে আশপাশের নৌকা ও স্পিডবোটের সহায়তায় স্থানীয়রা সবাইকে উদ্ধার করেন।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল কাইউম খান বলেন, নদীতে স্রোত থাকায় একটি ছোট নৌকা ডুবে যায়। এতে শিশু ও নারীসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী পানিতে পড়ে যান। স্থানীয়দের সহায়তায় সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

১৩-১০-২০২৫ দুপুর ২:২১

news image

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় কীর্তিনাশা নদীতে যাত্রীবাহী একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার পদ্মা নদীর শাখা কীর্তিনাশা নদীর ওপর নির্মিত ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে নড়িয়া-জাজিরা রুটে কীর্তিনাশা নদীর ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে পুরনো সেতুটি ভেঙে ফেলার পর থেকে এ রুটে যাত্রী পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে ট্রলার।

গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে চুক্তি বাতিল করে সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে পশ্চিম পাড় থেকে একটি ছোট ট্রলার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদী পার হচ্ছিল। এ সময় পাশ দিয়ে একটি বাল্কহেড যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ঢেউ ও স্রোতের কারণে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এতে প্রায় ২০–২৫ জন যাত্রী নদীতে পড়ে যান। পরে আশপাশের নৌকা ও স্পিডবোটের সহায়তায় স্থানীয়রা সবাইকে উদ্ধার করেন।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল কাইউম খান বলেন, নদীতে স্রোত থাকায় একটি ছোট নৌকা ডুবে যায়। এতে শিশু ও নারীসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী পানিতে পড়ে যান। স্থানীয়দের সহায়তায় সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।