সর্প দংশনে শৈলকুপায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
১৩-১০-২০২৫ দুপুর ৩:৪
সর্প দংশনে শৈলকুপায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সাপের কামড়ে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহত হৃদয় হোসেন (১৮) শৈলকুপা পৌরসভার আউশিয়া গ্রামের মিল্টন বিশ্বাসের পুত্র। সে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক উনস্টিটিউট এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।।
পরিবার সুত্রে জানা যায় ১২ অক্টোবর গভীর রাতে বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় গোখরা জাতের কালাচ সাপে তাকে দংশন করে। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে সেই সাথে ঘাতক সাপটিকে ধরে ফেলে। পরে সাপসহ তাকে নিয়ে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলেও একঘন্টা পরে চিকিৎকরা তাকে এন্টিভেনম প্রয়োগ করে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাত সাড়ে তিনটায় তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ অক্টোবর ভোরে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ সাপসহ হাসপাতালে উপস্থিত হলেও চিকিৎসকরা এন্টিভেনম প্রয়োগ করতে দেরি করেন এতে তার অবস্থার অবনতি হয়। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন জানান হাসপাতালে উপস্থিত হওয়ার আগেই তার অবস্থার অবনতি হয়। সময়মতো এন্টিভেনম প্রয়োগ করা হলেও অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এ সময়ে প্রচুর মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হলেও সরকারী হাসপাতালে এন্টিভেনম সরবরাহ না থাকায় ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগে এন্টিভেনম সরবরাহ করা হচ্ছে। ১২ অক্টোবর সকালে “শোলকুপো আঞ্চলিক কতা কওয়া গোষ্ঠী” নামের একটি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ৬০ ভাউয়েল এন্টিভেনম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র খোন্দকার ফারুখ আহমেদ বলেন হাসপাতালে এন্টিভেনম সরবরাহ করা হলেও এটি প্রয়োগ করার মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসক হাসপাতালটিতে নেই। যে কারনে আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়ন করা হোক।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
১৩-১০-২০২৫ দুপুর ৩:৪
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সাপের কামড়ে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহত হৃদয় হোসেন (১৮) শৈলকুপা পৌরসভার আউশিয়া গ্রামের মিল্টন বিশ্বাসের পুত্র। সে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক উনস্টিটিউট এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।।
পরিবার সুত্রে জানা যায় ১২ অক্টোবর গভীর রাতে বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় গোখরা জাতের কালাচ সাপে তাকে দংশন করে। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে সেই সাথে ঘাতক সাপটিকে ধরে ফেলে। পরে সাপসহ তাকে নিয়ে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলেও একঘন্টা পরে চিকিৎকরা তাকে এন্টিভেনম প্রয়োগ করে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাত সাড়ে তিনটায় তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ অক্টোবর ভোরে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ সাপসহ হাসপাতালে উপস্থিত হলেও চিকিৎসকরা এন্টিভেনম প্রয়োগ করতে দেরি করেন এতে তার অবস্থার অবনতি হয়। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন জানান হাসপাতালে উপস্থিত হওয়ার আগেই তার অবস্থার অবনতি হয়। সময়মতো এন্টিভেনম প্রয়োগ করা হলেও অবস্থার আরো অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এ সময়ে প্রচুর মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হলেও সরকারী হাসপাতালে এন্টিভেনম সরবরাহ না থাকায় ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগে এন্টিভেনম সরবরাহ করা হচ্ছে। ১২ অক্টোবর সকালে “শোলকুপো আঞ্চলিক কতা কওয়া গোষ্ঠী” নামের একটি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ৬০ ভাউয়েল এন্টিভেনম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র খোন্দকার ফারুখ আহমেদ বলেন হাসপাতালে এন্টিভেনম সরবরাহ করা হলেও এটি প্রয়োগ করার মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসক হাসপাতালটিতে নেই। যে কারনে আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়ন করা হোক।