ছেলের মৃত্যু সহ্য না করতে পেরে মারাগেলেন মা
সাটুরিয়া প্রতিনিধি
১৯-১০-২০২৫ বিকাল ৫:৫৫
ছেলের মৃত্যু সহ্য না করতে পেরে মারাগেলেন মা
ছেলের মরদেহ দেখে শোকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে মা। এ হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের সাহেবপাড়া গ্রামে আওয়াল নামের এক জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। সকালে যখন তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে তখন প্রিয় ছেলের মরদেহ দেখে শোকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন মা।
স্থানীয়রা জানান, মৃত আনছার আলীর ছোট ছেলে আব্দুল আওয়াল (৪১) গত কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানী সংলগ্ন সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে মৃত্যু হয় তাঁর।
পরদিন রোববার সকালে যখন তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনার পর পরই প্রিয় ছেলের মরদেহ দেখতে না দেখতেই মা রেহেলা আক্তার (৬৯) শোকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন পরে আর জ্ঞান ফেরেনি মায়ের। বাড়িতেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন মা।
এই মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ালের বড় ভাই মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, “ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ছিল আমাদের পরিবারের জন্য গভীর শোকের। কিন্তু মা যেভাবে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে চলে গেলেন, তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না ।
গ্রাম বাসিরা জানায়, আওয়াল অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলো । স্থানীয় বাজারে ওষুধের দোকান করতো। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোখের মাতন গ্রামের মানুষ।
সাটুরিয়া প্রতিনিধি
১৯-১০-২০২৫ বিকাল ৫:৫৫
ছেলের মরদেহ দেখে শোকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে মা। এ হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের সাহেবপাড়া গ্রামে আওয়াল নামের এক জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। সকালে যখন তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে তখন প্রিয় ছেলের মরদেহ দেখে শোকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন মা।
স্থানীয়রা জানান, মৃত আনছার আলীর ছোট ছেলে আব্দুল আওয়াল (৪১) গত কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানী সংলগ্ন সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে মৃত্যু হয় তাঁর।
পরদিন রোববার সকালে যখন তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনার পর পরই প্রিয় ছেলের মরদেহ দেখতে না দেখতেই মা রেহেলা আক্তার (৬৯) শোকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন পরে আর জ্ঞান ফেরেনি মায়ের। বাড়িতেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন মা।
এই মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ালের বড় ভাই মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, “ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ছিল আমাদের পরিবারের জন্য গভীর শোকের। কিন্তু মা যেভাবে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে চলে গেলেন, তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না ।
গ্রাম বাসিরা জানায়, আওয়াল অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলো । স্থানীয় বাজারে ওষুধের দোকান করতো। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোখের মাতন গ্রামের মানুষ।