মাদারীপুরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
২১-১০-২০২৫ বিকাল ৬:৫৪
মাদারীপুরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড
মাদারীপুরে আলোচিত মাদরাসাছাত্রী সানজিদা আক্তার দীপ্তি (১৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনু্যায়ী আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাদারীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ সাইফুল কবীর জানান, দীর্ঘ ছয় বছরের বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সাজ্জাদ হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।
মামলার সূত্র অনুসারে, ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই মাদারীপুর শহরের পূর্ব খাগদী এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে দীপ্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। র্যাবের তদন্তে জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন আগে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন এবং ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ জুলাই বৃষ্টির দিনে দীপ্তি তার ইজিবাইকে চরমুগরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওঠেন। সাজ্জাদ হোসেন তাকে জোর করে নিজের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন এবং মরদেহ পুকুরে ফেলে দেন।
দীপ্তির বাবা মজিবর ফকির বলেন, “আমার মেয়ের হত্যাকারী আইনের কাছে জবাবদিহি করেছে। আমরা এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছি।”
নিহত দীপ্তি মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনচনা গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে এবং বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
২১-১০-২০২৫ বিকাল ৬:৫৪
মাদারীপুরে আলোচিত মাদরাসাছাত্রী সানজিদা আক্তার দীপ্তি (১৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনু্যায়ী আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাদারীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ সাইফুল কবীর জানান, দীর্ঘ ছয় বছরের বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সাজ্জাদ হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।
মামলার সূত্র অনুসারে, ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই মাদারীপুর শহরের পূর্ব খাগদী এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে দীপ্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। র্যাবের তদন্তে জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন আগে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন এবং ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ জুলাই বৃষ্টির দিনে দীপ্তি তার ইজিবাইকে চরমুগরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওঠেন। সাজ্জাদ হোসেন তাকে জোর করে নিজের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন এবং মরদেহ পুকুরে ফেলে দেন।
দীপ্তির বাবা মজিবর ফকির বলেন, “আমার মেয়ের হত্যাকারী আইনের কাছে জবাবদিহি করেছে। আমরা এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছি।”
নিহত দীপ্তি মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনচনা গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে এবং বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।