287628
শিরোনামঃ
বোরকাপরে বোমা বিস্ফোরণ ও হামলার অভিযোগ, গণপিটুনিতে নিহত ১ উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় এগিয়ে মনিরুল ইসলাম মনির জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

মাদারীপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে স্থানীয়দের মানববন্ধন

#
news image

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকায় উর্মি বেগম (৩১) নামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে নির্মম শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সোহাগ সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মুর্শিদা বেগম বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— সোহাগ সরদার, জসিম সরদার, ঝরনা বেগম, লামিয়া আক্তার, কালাম সরদার, মিম আক্তার ও সাজিদ হাওলাদারকে।

ভুক্তভোগী উর্মি বেগম জানান, প্রায় দুই মাস আগে তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে সোহাগ সরদারের বাড়িতে ভাড়া ওঠেন। তার স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনি ছোট দুই সন্তান নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন ।

তিনি অভিযোগ করেন, সুযোগ বুঝে বাড়ির মালিক সোহাগ সরদার প্রথমে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সেটিকে ব্যবহার করে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। উর্মি বেগমের দাবি, দীর্ঘদিন ভয় ও লজ্জার কারণে তিনি কাউকে কিছু জানাতে পারেননি।

কিন্তু কিছুদিন আগে ঘটনাটি এলাকার লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে সোহাগ সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা মিলে উর্মি বেগমকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এমনকি গরম লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে দগ্ধ করা হয়।

উর্মি বেগম জানান, “যে জায়গাগুলোতে তারা ছ্যাঁকা দিয়েছে, সেগুলো এত স্পর্শকাতর স্থান যে আমি মুখে বলতে পারছি না।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটকচর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। শতাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন। তারা ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “এমন বর্বর ঘটনার বিচার না হলে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা থাকবে না। আমরা ধর্ষক ও নির্যাতনকারীদের ফাঁসি চাই।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান আসামি সোহাগ সরদার আর্থিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় থানায় বিপুল অঙ্কের টাকা দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। ফলে মামলার বিষয়ে পুলিশ তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

পুরো ঘটকচর এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন জঘন্য ও নৃশংস নির্যাতনের ঘটনা ঘটকচরে আগে ঘটেনি। এলাকার সচেতন মহল প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আদিল হোসেন বলেন“বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রমাণ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি

১৪-১০-২০২৫ দুপুর ১২:৪৩

news image

মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকায় উর্মি বেগম (৩১) নামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে নির্মম শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সোহাগ সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মুর্শিদা বেগম বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— সোহাগ সরদার, জসিম সরদার, ঝরনা বেগম, লামিয়া আক্তার, কালাম সরদার, মিম আক্তার ও সাজিদ হাওলাদারকে।

ভুক্তভোগী উর্মি বেগম জানান, প্রায় দুই মাস আগে তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে সোহাগ সরদারের বাড়িতে ভাড়া ওঠেন। তার স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনি ছোট দুই সন্তান নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন ।

তিনি অভিযোগ করেন, সুযোগ বুঝে বাড়ির মালিক সোহাগ সরদার প্রথমে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সেটিকে ব্যবহার করে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। উর্মি বেগমের দাবি, দীর্ঘদিন ভয় ও লজ্জার কারণে তিনি কাউকে কিছু জানাতে পারেননি।

কিন্তু কিছুদিন আগে ঘটনাটি এলাকার লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে সোহাগ সরদার ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা মিলে উর্মি বেগমকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এমনকি গরম লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে দগ্ধ করা হয়।

উর্মি বেগম জানান, “যে জায়গাগুলোতে তারা ছ্যাঁকা দিয়েছে, সেগুলো এত স্পর্শকাতর স্থান যে আমি মুখে বলতে পারছি না।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটকচর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। শতাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন। তারা ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “এমন বর্বর ঘটনার বিচার না হলে সমাজে নারীদের নিরাপত্তা থাকবে না। আমরা ধর্ষক ও নির্যাতনকারীদের ফাঁসি চাই।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান আসামি সোহাগ সরদার আর্থিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় থানায় বিপুল অঙ্কের টাকা দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। ফলে মামলার বিষয়ে পুলিশ তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

পুরো ঘটকচর এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন জঘন্য ও নৃশংস নির্যাতনের ঘটনা ঘটকচরে আগে ঘটেনি। এলাকার সচেতন মহল প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আদিল হোসেন বলেন“বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রমাণ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।